তোমার হাত ছুঁয়ে এলো মেঘ
পর্বতমালার আদিম বৃক্ষ উল্লাসে
বর্ষা দিয়ে গেল এক নদী
আমি কি তখন কেঁপেছিলাম জ্বরে-উথাল পাথাল
প্রার্থনার বেলপাতায়?
চতুর দূরত্বে চোখের আড়ালে
জমা করেছি অযাচিত মেঠো ধূলাপথ
দূরের কাশবনে তাকাতে তাই গোপনীয় ভীতিবোধ
আমি কি পারি খুলে দিতে
জন্মের থেকে জমা করা মহেঞ্জোদারো-
আকৃষ্ট কবি কি মহৎ পরিব্রাজক?আমি
কি পারি প্লাবনের পরে
আবার ফেরাতে শষ্যদানা, ভরা-নদী নুয়ে যাওয়া
সবুজ ঘাসের চারা।।!
আবার কাঁপন কি জমে জমানো আদিম জ্বরে
গাছের ছালের মতন খসে যেতে পারি
পুরোনো সভ্যতার মতন খুলে দিতে পারি
ঘষামাজা নতুন কাঠের দ্বার-
বলি হওয়া যেতে পারে খোদাই শিল্পীর নমিত
হাতুরি বাটলে
আবার ভাসব বলে, আবার উড়ব বলে
ভেতরে রেখতে পারি নীড় আর চড়;
ভেতরে রাখতে পারি লোকালয়নাশা প্রবল পলির ঢেউ!
No comments:
Post a Comment